কার যেন নাম ছিল, চিহ্ন ছিল ঘরের
কারো নামে উড়েছিল কনকনে মাঘী বাতাস
পৌষের শুকনো ধুলো দিনশেষে মেখেছিল বিনম্র শিশির- আনত আকাশের নির্যাস,
কার নামে ঝরে পড়া পাখির পালক সোনারোদে
রেখেছিল বিষন্ন নিশ্বাস। ছিল কি এমন কেউ?
ছিল নাকি কারো - নাম লিখা রঙিন কপাট
খিড়কি দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকা অংগীকার,
বুনো ঝোপ কাঁটলতায় সময়েরা কাকে ভেবে অবকাশে নিয়েছিল ছুটি।
কে যেন ধূসর কুয়াশায় আপন নিশ্বাসে লিখেছিল নাম তার, স্বজন অরণ্য গন্ধের মত ভেজা ঘাসে নুয়ে পড়া রাতের শিশির লিখেছিল ঘরের ঠিকানা কার,, কার নাম- স্মৃতি চিহ্ন কার?
এখন কুয়াশা নামে - একটানা শিশিরে অবসাদে
মেঘরং কুয়াশার অন্তরাত্মায় কারা যেন চিহ্ন খোঁজে কার--,
কার নামে একটানা ঝরেছিল রাতের শিশির
আনকোরা অভিমানে গুমোট হয়েছিল আকাশের সব তারা,
কার নামে শীত আসে - কেঁপে ওঠা নিশ্বাসের গহীনে গেঁথে যায় অন্তহীন পৌষ
আর মাঘের তীব্রতা।
একটা রোদমাখা দিনের প্রার্থনায় কুয়াশারা হেঁটেছিল দিনভর
কেউ হয়ত বলে দেবে নাম তার ঠিকানাও --
কোন এক নিশাচর শীতে।
স্বল্পভাষী বটের শেকড়ে জমে থাকা মাটিকণায় পুরোনো কোন অকথিত গল্পের ধুলো
জমে আছে কিনা --
উত্তুরে হাওয়ার এই হাড় হীম শীত ভোর
কার নামে লিখেছিল--
নিখোঁজ রাতের শিরোনাম------