নিমাই জানার চারটি কবিতা

অধঃপতন ঘূর্ণন নখ জীবিত থুতু পায়ুদ্বার ও সুড়ঙ্গের জৈব ঘা

রুপোলী ঘূর্ণীর মতো ক্ষত প্রজন্মের লালা মাখানো কর্কটক্রান্তীয় তিলভেজা চোখের মতো আরো অতি সুগন্ধিময় তাপীয় বহমান আর্দ্র বিভীষিকাময় ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিক ফ্লেভারের ডেরিফাইলাইন জল খাওয়া নারী ঘুরছে, নারী ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভয়ানক যুদ্ধক্ষেত্রের পঞ্চ শায়রে নামছে ঠোঁট ভর্তি জল নিয়ে , জল তো কয়লার মতো অগ্নি শিখার মতো কাঁকড়ার মতো খাবার মতো শৌচাগারের শয়তানের মতো ঝোপঝাড়ের মতো রাতের গোখরোর মতো, আগুনের মতো এ মহাশ্রোণীচক্র স্রোতের ভেতরেই কোয়ান্টাম থুতু , থুতুর ভেতরেই আমার অর্বাচীন স্ট্রেপটোমাইসিন রাতে নাগর নেমে আসে জাহাজে আমারই মহাপাতকের কঙ্কাল অধঃপতন নখ দিয়েই আমি জীবিত করি আমার অচেতন নারীকে , ভয়ানক গ্ৰানাইট পাহাড়ের সাদা স্রোতের পাহাড় ক্ষয়ে নামছে রাত পাথরের মতো কোয়ার্টজ পাথরের সঙ্গম ভুমি উথাল পাথাল যক্ষের হাঁ মুখ তীব্রতর কালো কালো সব ক্রোমোজোম কিলবিল করবে ধাতব প্লেটের ওপরে,আমারই অভিজ্ঞ যক্ষ ঘুরছে তাথৈ তাথৈ নৃত্য করেছে জুতো ভর্তি কোনো অস্ত্রের ছাই আমি কি তবে মৃত মায়ের শরীর থেকে নেমে কুড়ুল ভর্তি কোন গুহা গর্তের অভিশাপ মোচনের ইক্ষাকু অঙ্গীকার পত্র পেয়েছি ,হে নরকের পিতা এসো আমার মাথায় বাদামের ছাল ছাড়ানো মাংসের চাষ করো , যোনি দিয়ে টগর ফুলের বাদাম গাছ কুপিয়ে দাও স্পিরিলুনা খাই ৪.৫ কেজি রাতের ভেটেনারি অ্যালগরিদম গ্রীন ফ্যাক্টরিতে আমার মাপে চামড়ার রিফাইনারি হচ্ছে , হে প্রদ্যুম্ন অশ্লীল মৃত্যুর বিজ্ঞাপনে লিলিথ পাখিরা বারকোড ঘষছে ,

সব পাখনা চুম্বক শৃঙ্গার ব্যোম অসুখ মন্দাকিনী ও কঙ্কালের দুর্গন্ধ

গর্ভ খুঁড়ছি, ঘূর্ণায়মান সাদা দেবী , ছত্রাকের দেবী, কালো পোশাকের দেবী, পাখনা ভর্তি রূপোলী স্তন ঢেকে রাখার কালো পাহাড়ের চামড়া ভর্তি সুড়ঙ্গ গর্তের দেবী, আঙ্গুরের দেবী আগুনের কামুক দেবী ,মৃতদেহ টাঙিয়ে রাখার হ্যাঙ্গার দেবী, কঙ্কাল তৈরির মতো কালো পারদের মতো মূত্রভর্তি পাহাড়ের দেবী কার্স অফ হি কেট কুচকুচে পাথরের ভেতর আমার নষ্ট মন্দাকিনী বইছে ঘূর্ণায়মান তরুণ সাপের কিলবিল রাশিচক্রের মুখ থেকে বেরিয়ে আসা দহন অস্থি নির্মিতকে নিয়েই রাতের নিশাচর চাঁদের অতি শিল্পীত শীৎকার ধ্বনিকে ডাকছে আমারও কোন যজ্ঞ স্থলের ঞ কে কিউ আর ভেলিডিটি শত সমুদ্রের ঢ, ব এ প্রাসাদ, প্রাসাদ অধ্যুষিত যবন ,তরুণ যবন , পালক যবন দেশের স্ট্রাটোস্ফিয়ার রক্তাল্পতা ব্রুনো খাচ্ছে খাচ্ছে কুকুরের বাঁট, বাঁট ভর্তি দুধের লিংক, স্ফটিক ডাক্ট ল্যাকটেশন থলি থলির পোষা খাবার মাছের ফিডিং স্টোন। চুম্বকের তলপেট গর্তের ট্রায়াঙ্গেল রক্ত খেতে খেতে শৃঙ্গার করো শৃঙ্গারে তরুন বধ করো বোম আসুক নাইট্রোজেন থিওরিডন ঘোড়া নামছে নগরে নগরে নখের কাব্য লিপি শীতকালের শেয়াল দৌড়াচ্ছে তিন জোড়া অশ্লীল ধর্ষকের ছায়া হাইড্রেন থেকে উঠে ক্যাপসিকাম চিবিয়ে চিবিয়ে স্তনের আঠা বের করছি , হে পুরুষ দাইমা সকলকেই মৃত আত্মার ছাল ছাড়ানো হরিণী তৈরি করে দাও পূর্ব জন্মের পুরুষদের মুখে হেভি ওয়েট সি ডক্স পেন্টাগোনিয়া মাছ হাঁফাচ্ছে কোগেলিও সুপারপোজে

মাংসাশী অ্যাস্ট্রোনট , ময়ূরাক্ষী পাহারা, ম্যাক্সিমাম ভ্যালিডিটি ও অর্গাজমের উট

ভয়ানক অপরা নক্ষত্রের জন্মনিয়ন্ত্রণের গাট খুলে দিচ্ছি , ৩য় বার বাক্য বিধি অতীন্দ্রিয় শক্তি পাথরের মতো গুহা গর্তে আমার জন্মের অবিস্মরণীয় বৈধব্য রতি ক্রিয়ার শেষের তৃতীয়বারের সঙ্গমশূন্য অবৈধ পাথরকুচি কয়লা ফুঁপিয়ে ফেলে সাইকোটিক অর্গাজম পাখনা, জঙ্গলের গ্যাঁজলা চুষে চুষে খাচ্ছে অস্থিমজ্জার অতীন্দ্রিয় নদী এসে দাঁড়ায় আমি তার পাগলা গারদের নখ খুলে দেই শরীরের শরীর গজিয়ে ওঠা বিষফোঁড়া নষ্ট তাইওয়ান সমুদ্রের নিচে চলে যায়, মাংসাশী আগুনের ধূসর পার্বত্য লাভা পুঁতে দেই কে এখানে ময়ূরাক্ষী পাহারা দেয় মৃত্যুর পর প্যাঁচার সাবকিউটেনাস মৃতদেহ ঘুরছে একাই নিজের নিজের মাথার খুলিতে সেলাই করছে ক্যাট গার্ল, দুই হাতে মেহন শেষে চিতা ম্যাক্সিমাম ভ্যাডিস্ট ও পুণ্যবাহী ট্রপিন খায়
স্বর্গে নশ্বর দাঁড়িয়ে আছে পিতা , এখানে স্ত্রীলোকের বীভৎস সাব ল্যাঙ্গুয়েজ কামড়ে দেয় গর্তের বাইরে অনেক ধোঁয়া গলার ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইটের মতো বিষ, বিষ ভর্তি অসংখ্য বিছানা। বিছানার উপর কিলবিল করে কালো সাপ, প্রাপ্তবয়স্ক উনুনের চেপে পাড়ি দিয়েছিল অবতারের বুদ্ধভূমিতে নক্ষত্রের পা নেই, ষাষ্টাঙ্গে চিপকে দেওয়া দুর্গন্ধ ভর্তি কয়লা ভর্তি শুক্র ভর্তি সংবিধানের কৌটা। আমি কি এখন দৃশ্য ভর্তি উর্বশীর পায়ুদ্বার দিয়ে ঢুকে যাব। মাথার ভেতরে কিলবিল করব কেঁচোর মতো আলকাতরা মেখে নেব কুকুরের মতো চিৎকার করবো উলঙ্গ শ্মশান ভূমিতে শুয়ে নিজের ছালের বিভাজ্যতা আগুনে জড়িয়ে দেব চিতা কাঠ ভেবে একাই হাসব খিলখিল করে অথচ আমার গোপনাঙ্গ চেটে চেটে খাচ্ছে লৌহ কণিকার আঠা , হে বিশ্ব পাছার ভিতরে নষ্ট কার্তুজ বারাণসি আঙ্গুর ট্রপস্ফিয়ারের মাথা লিঙ্গের ছাল আপেলের ধনাত্মক সুপারি কিলার হাতুড়ি কিছুই জানতে পারে না এসব আততায়ীর চ্যাটিং সাবোটেজ

সংক্রামক লিবিডো ও মৃত্যুর হিক্কা প্রজন্মের শুককীট চাষাবাদ

মৃত মানুষদের শীতকাল নেই সবাই বরফ ভর্তি টক জলের চাষ করছে , লিবিডো অন্ধকার মৃত পশমের পোশাকের বোঝা ভর্তি বরফের নিহত রাতে সুপার ইম্পোজিং আয়নার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা অসদ প্রতিবিম্বদের অবৈধভাবে বন্ধ্যাত্বকরণে রাজি করানো হচ্ছে বারবার , আমার প্রকৃষ্ট প্রমাণ মোতাবেক বংশধর নেই হাওয়া নেই আকাশ নেই যম পুরী নেই নষ্ট টাইপ মেসিন নেই ডিমের খোসার মত হলুদ পেচ্ছাবের সংরক্ষণাগারে বলাৎকারের লার্ভা নড়ছে , তবে কি যুধিষ্ঠির ও আমার অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিল আমি অশ্লীল হয়ে যাব যজ্ঞ করব মাথার ভেতরে পিঁপড়েদের মৃতদেহ নাচবে মৃতদেহ নিজেরাই নিজেদের ঠোঁটে চুম্বন করবে কালো পোশাকের ইস্পাত সৌর কলঙ্ক ভর্তি সূর্যের মৃতদেহ নিয়ে আমরা উল্লাস করতে থাকবো পিতা আমাদের অশ্লীল শীঘ্রপতন দেখে থুতু ছেটাতে থাকবে না কারণ পিতাও দেখে গেছে আমার রোমকূপ থেকে অস্ট্রেলিয়ান ফাইবারের রাজসিক লালা গড়িয়ে পড়তো সর্দির মতো। নিজের মৃতদেহ ভর্তি শুকনো লিলিথ প্লাজমার ফ্যান্টাসি আর্টওয়ার্কের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ছদ্মবেশ নৌকায় আমি কালো কাঁকড়ার চাষ করবো আততায়ী হব অশ্লীল হব নগ্ন হব বোমারু হব বোতলে দিক মুখ ঢুকিয়ে বেশ্যা হব ধাতু কাঠের ব্যবসা করব আর রাতের নিষ্ঠুর কাঠের কারখানায় পিত্তথলি বন্ধক দেব কুকুরের পচে যাওয়া ধর্মান্তরিত অন্ডকোষের জন্য আমারও এখন জন্মনিরোধক দৃশ্যে কোকিলের প্লাজমা নষ্ট স্তনের মাংসের বরফের কাপালিক নেমে স্নান করেনি তিন অগস্থ্য কাল অবধি , হে অমৃতের মেদ জ্বালানির সরাইখানায় স্থিতিস্থাপক জিলেটিন তিন পশু খাদকদের চাষ করি ভেঙে ফেলি দ্রৌপদীর সামগ্ৰিক সংক্রামক ঘা