নয়নের জলে
এখনো বড়াই করি অনন্য তোমাকে নিয়ে প্রেমাকুল স্বরে!
মমতা সোহাগ ভরা প্রাণবন্ত মুখখানি এখনো মাতায়!
বিষাদিত বুক আজ হেরে গেছে নিশিনামা বেদনার ঝড়ে!
নশ্বর জীবন পথে দুর্ভাগ্যের গ্যাঁড়াকলে কত অসহায়!
ব্যস্ততার যাত্রাপথে চিরহারা মুখ”ছবি কত কথা বলে!
বিচিত্র শব্দের স্বর রাঙায় বিধুর বুক ওথ্লে শুধু শোক!
জীবনের গল্পগুলো ভেসে ওঠে একে একে মুগ্ধতার ছলে!
অবিচল স্বপ্নমত্তে মাতায় বুকের কন্দে স্বপ্নারাধ্য সুখ!
বিষম বেদনা রাঙা জীবনের মত্তঘোর চির কোলাহলে
মধুর মাতাল সঙ বেশুমার ভরে থাকে প্রত্যেকের বুকে!
বিধুর বিদায় তবু অনিবার্য দিতে হয় নয়নের জলে!
দৃশ্যসুখ মাদকতা মিছে হয়ে যায় সব বিদায়ের শোকে!
তোমার ভাবনা দোলা এখনো জাগিয়ে তোলে সবহারা বুক!
স্মৃতিরাঙা বেদনায় ফিরে আসে দিনগুলো-জাগে বুকে শোক!
অমলিন মুখ
কোথায় লুকালে তুমি?-তোমাকে দেখেছি আজ ‘অ্যাল্বামবন্দি’!
প্রাণকাড়া হাস্যোজ্জ্বল ঠিক যে আগের মতো ক্লান্তিহীনপ্রাণ!
অফুরান প্রেমভাষ্যে চিরকাল বুকে বুকে করেছো যে সন্ধি!
অনন্ত কোরাস স্বরে ধূসরিত পথবাঁকে ডেকে যায় বান!
চকচকে ‘অ্যাল্বাম’ পৃষ্ঠাগুলো ভরে আছে সৌন্দর্য সৌরভে!
অমলিন মুখখানি কথা বলে চুপে চুপে মায়াবী বিনয়ে!
‘অ্যাল্বাম’ মত্তবুক নেচে ওঠে স্বতঃস্ফূর্ত তোমার গৌরবে!
পুষ্পসার গন্ধভার আছো তুমি-র’বে সদা সবার হৃদয়ে!
নির্ঘুম দু’চোখে তুমি জেগে আছো ‘অ্যাল্বাম’ ক্যানভাসবুকে!
বিধুর নির্বাক যেন চেয়ে থাকো চিরহারা ক্রূর বেদনায়!
নিঃসঙ্গ একাকী ক্ষণে বুক-যে মুষড়ে ওঠে দুর্বিষহ শোকে!
কাতর বুকের মাঝে রাখি যে যতন করে চির মুগ্ধতায়!
যতদিন বেঁচে আছি ততদিন শোভা পাবে আমার শিয়রে!
অমোঘ মরণ শেষে গেঁড়ে দিবে ‘অ্যাল্বাম’ নিঝুম কবরে!
তোমার অস্তিত্বে
জীবনের সুখভোগ কিছুই পেলে না তুমি ক্ষণিক জীবনে!
অতুল মাধুর্য রাঙা অনন্য তোমার স্বপ্ন মাটি হয়ে গেলো!
কাঙাল বুকের স্বপ্ন আচমকা পুড়ে ছাই দুর্দৈব দহনে!
বিনয় মায়াবী রাঙা মানবিক শিষ্টাচার চির নীল হলো!
সীমিত সময় বৃত্তে অনন্ত চারিয়ে দিলে অসীমের সুখ!
রাঙালে আঁধার প্রান্তে ধূসরিত ব্রাত্যবাঁক উষর প্রান্তর!
জাগালে আমাকে তবু অন্ধকার বদ্ধঘরে মত্ত কল্পলোক!
সোহার্দ্য মুগ্ধতা ছলে ভরালে নীলাক্ত ভূমি ক্রূর তেপান্তর!
প্রেমাকুল মুগ্ধঘরে শুরু হলো কিয়ামত চোখের পলকে!
ওলট পালট ঝড়ে কি হতে কি হয়ে গেলো মধুর জীবনে!
তোমাকে হারিয়ে আজ দিন কাটি নিঃস্বঘরে দুঃসহ গোলকে!
নিশিদিন ত্রস্তস্বরে পুড়ে যায় অন্তরাত্মা স্মৃতির দহনে!
নিঃস্বতার নির্মমতা কখনো বুঝিনি আগে তোমার অস্তিত্বে!
দুর্বহ দহন ক্লিষ্ট বেদনার্ত বুকখানি কাঁদে-যে মহত্বে!
বেদনার জল
স্বপ্নীল জীবন থেকে কেন চলে গেলে তুমি এত তাড়াতাড়ি?
মায়ারাঙা মুগ্ধতায় কেন রইলেনা তুমি আরো কিছুদিন?
অবিশ্বাস্য বিদায়ের দুঃসহ দুর্বহ যাত্রা মর্ষ রোনাজারি
এখনো পোড়ায় বুক! অনুক্ষণ রও বুকে মত্ত অন্তর্লীন!
জীবনের মায়াতটে মুগ্ধকর দৃশ্যসুখ উন্মাতাল চুমি
রূপমুগ্ধ কুশীলব অনিবার্য খেলে যায় ক্ষণিকের খেলা!
ক্রূরাক্রান্ত ব্রাত্যবাঁকে নিঃসঙ্গ একাকী ফেলে চলে গেলে তুমি!
চিরদিন জারি র’বে অন্তহীন অফুরান সংসার মেলা!
‘মা-মা’ বলে দিশাহারা এখন ডাকেনা আর 'মা-হীন' ফারিহা!
খুনসুটি অভিমান চিরতরে শেষ হলো তোমার বিদায়ে!
অসহায় ম্লানমুখ আড়ালে নিরবে কাঁদে দিগন্তে চাহিয়া!
হয়তবা তবু তুমি ফিরে আসবে বলে দিই আঁচল বিছায়ে!
কখনো হয়না সত্য অসত্যের কারসাজি- মরীচিকা ছল!
জানি-জানি কখনোতো ফুরোবেনা দু’চোখের বেদনার জল!
সুহাস সুষমা
সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো একদিন সে অনেক দূরে!
তারপর কোনদিন আমাকে পাবে না কেউ মত্ত কোলাহলে!
মায়ারাঙা জীবনের স্বপ্নসাধ তবু বাজে বেদনার সুরে!
অপূর্ব সৃষ্টির ছন্দে এ-জীবন ভরে আছে মরীচিকা ছলে!
যেহেতু আমাকে ছেড়ে চলে গেছে প্রেমময় ‘অতুল নাহার’
সেহেতু আমিও আর থাকিতে চাইনা আজ নশ্বর ভুবনে!
অসীম রহম বরে চলে যাবো পূণ্যময় সুগন্ধ বাহার!
নশ্বর জীবনে তাই ভীত নই ভয়ঙ্কর মরণ সমনে!
চমকে রাঙিয়ে গেলে ঘুণধরা জীবনের আঁধার আস্তানা!
হঠাৎ বিদায় নিলে সপ্রাণ বিজয় বেশে নীল সিন্ধুপারে!
মানবিক সেবাব্রতে জুড়ালে বুকের আশা-স্বপ্নীল বাসনা!
তুমিহীন নিঃস্বঘরে কেঁপে ওঠে বুক আজ ক্রূর হাহাকারে!
চিরকাল প্রাণবন্ত জায়মান দৃশ্যসুখ ‘সুহাস সুষমা’!
সংসার ব্রাত্যবাঁকে তোমার ছড়িয়ে আছে অনন্য গরিমা!
অপরূপ লাস্যে
তোমার গোছানো ঘর মুগ্ধময় সংসার ফেলে চলে গেলে!
পিছনে রইলো পড়ে মেদুর স্মৃতির সুখ মমতার বাড়া!
অধ্যাত্ম রোশনি রাঙা অন্ধকার শূন্যঘরে দিয়ে গেলে জ্বেলে
বেদনার স্মৃতিদীপ্ত অফুরান মত্তশিখা-প্রেমাকুল পারা!
নিশিদিন জেগে রও সবহারা নিঃস্ববুকে ‘অপরূপ লাস্যে’!
ঐশ্বরিক চেতনার আধ্যাত্মিক মূর্তরূপ রাঙাতো তোমাকে!
কি করে সাজাতে তুমি ক্লান্তিকর ধূসরিমা প্রাণাকুল ভাষ্যে?
নেশাচুর মত্ততার মোহন শোভন ছলে জাগাতে আমাকে!
লিখে যাই ত্রস্তহাতে বেদনার দিনলিপি দ’চোখের জলে!
বিধুর বেদনা রাঙা ‘ঘুঘুর বিলাপ সুর’ এখনো কাঁদায়!
মূর্তমান ছবি হয়ে বারবার ফিরে আসো মরীচিকা ছলে!
শরীরী নির্যাস ঘ্রাণ আমাকে মাতায় আজো নিবিড় মায়ায়!
বুকের কন্দরে তবু আছো তুমি গন্ধভার কান্তিমান ছবি!
বিমূর্ত তোমার ধ্যানে কেটে দেয় দিনগুলো সবহারা কবি!
প্রেমার্ত গরিমা
সশ্রদ্ধ বিনয় রাঙা অপূর্ব মুখশ্রী সুখ আমাকে কাঁদায়!
বিনম্র সোহার্দ্য পূর্ণ মানবিক শিষ্ঠাচার সৌন্দর্য মহিমা
রাঙাতো সবার বুক-প্রশংসা পঞ্চমুখে শুধু ওথালায়
অনন্য বরেণ্য স্মৃতি! সবার অন্তরে জ্বলে প্রেমার্ত গরিমা!
বেদনার গুরুভার আমাকে দিয়েছো তুমি প্রান্তিক জীবনে!
বিদীর্ণ বার্ধক্যে আজ পথ চলি ধীর পায় অবনত মুখে!
জ্বলে ওঠে দগ্ধবুকে মুগ্ধমূর্ত স্মৃতিশিখা দিগন্ত সায়াহ্নে!
ভুলিতে পারি না তবু এখনো তোমার সুখ ওথ্লে ওঠে বুকে!!
যত্নহীন এলোমেলো সবকিছু পড়ে আছে তুমিহীন ঘরে!
অনুক্ষণ দেখে দেখে ক্লান্ত হয় ত্রস্তবুক চিরহারা শোকে!
শেষ হয়ে গেলো যেন সংসার মাদকতা মরণের ঝড়ে!
মৃত্যুশয্যা বিছানায় কেটে দিবো দিনগুলো দুর্বিষহ দুঃখে!
রাতুল চেতনা রাঙা প্রেমোতোষ ভালোবাসা শেষ হলো বুঝি!
স্মৃতিধন্য নিশিপথে জীবনের মত্তবাঁকে তোমাকেই খুঁজি!
তোমার ধেয়ানে
কবিতার ছেঁড়াফাড়া বিচূর্ণ টুকরোগুলো দ্রুত অকাতরে
দূরে ছুঁড়ে মারলাম-আচমকা মনে হলো শত প্রজাপতি
যেন মত্ত ওড়ে যাচ্ছে রঙিন ডানায় চড়ে পত পত করে!
বিমূঢ় দাঁড়িয়ে আমি অবাক হলাম শুধু-হারালাম মতি!
নিত্য ছুঁড়ে ফেলে দিই প্রেমারাধ্য কবিতার টুক্রো টুক্রো রেণু!
কবিতা আমাকে ছেড়ে চায়না কোথাও যেতে-জেগে র’য় বুকে!
মাঝে মধ্যে ছন্দস্বরে কলকল মেতে ওঠে স্মৃতিধন্য ধেনু!
নিশিরাঙা দিব্যরথে প্রাণাকুল ছুটে চলে অপার্থিব সুখে!
দিবানিশি ক্লান্তিহীন আমাকে জাগিয়ে রাখো নির্ঘুম দু’চোখে!
ত্রস্তবুকে জ্বলে শুধু অবিনাশী স্মৃতিশিখা তোমার ধেয়ানে!
দুঃসহ বেদনা রাঙা দুর্বিষহ দিনগুলো ভর করে বুকে!
ছটফট করে শুধু ওষ্ঠাগত প্রাণবায়ু কাতর শয়ানে!
প্রজাপতি হয়ে তুমি ওড়ে গেলে হেসে হেসে নীলসিন্ধুতীরে!
সারাক্ষণ দিশাহারা ভেসে যায় মূকবুক তপ্ত অশ্রুনীরে!
অপূর্ব তোমাকে
এখনো তো মনে হয় হয়তবা আচমকা তুমি আসবে ফিরে!
কাতর ব্যাকুল প্রাণে দেখবো-যে নয়ন ভরে অপূর্ব তোমাকে!
মুখে আটকে র’বে কথা-ভিজে যাবে সারাবুক তপ্ত অশ্রুনীরে!
বেহুশ প্রেমার্ত ক্ষণে প্রেমাকুল কণ্ঠস্বরে ডাকিবে আমাকে!
দু’চাখের তপ্তবানে কপোলের ‘পদ্মকলি’ আরো মূর্ত হবে!
বেদনার ঝর্ণা থেকে ধীরে ধীরে চু’য়ে পড়বে নায়াগ্রা প্রপাত!
আবারো মিলিত হবো অচর্চিত প্রেমোতোষ মুগ্ধ উৎসবে!
ভোরের কুয়াশা চিরে দিগন্তে উদয় হবে সোনালি প্রভাত!
জীবনের মুগ্ধমূর্ত সবকিছু যেন বুঝি মরীচিকা ছল!
কাঙাল বুকের বনে গেয়ে ওঠে মনপাখি সরোদ আবেগে!
নিশিদিন মত্তস্বরে কাকে যেন ডাক পাড়ে বেদনা উ”ছল!
সবহারা নিঃস্বমাঝে কেঁপে ওঠে বুকখানি ত্রস্ত অনুরাগে!
সহাস্য সুরভি ঘ্রাণে ভরে যাবে শূন্যঘর নিবিড় আলোয়!
সমুজ্জ্বল বৃন্তে ফের ফুটিবে পঙ্কজ ফুল মাটির ধুলোয়!
কালান্তক শোকে
অন্ধকার নিশিরাতে মিটিমিটি মূর্ততারা সদা হাস্যরূপ
নিবিড় প্রাণান্ত ভাষ্যে বলে-যে তোমার কথা-বেদনার গাঁথা!
পৃথিবীর পানে তুমি প্রাণাকুল চেয়ে আছো নিরব নিশ্চুপ!
দৃশ্যের আড়ালে যেন ওথ্লে ওঠে মর্মন্তুদ অন্তরাল ব্যথা!
কখনো যে ফুরায়না বেদনার্ত দিনগুলো র’য় মুখোমুখি!
অন্তহীন নিশিমাঝে বিষম বিরূপ স্বরে জেগে ওঠো বুকে!
আচমকা ছেয়ে যায় বিসদৃশ ছায়ালিপি নীল অভিমুখি
পরিব্যাপ্ত তেপান্তরে! অন্তরাত্মা মুষড়ে পড়ে কালান্তক শোকে!
স্মৃতির আঁচলে আজো খুঁজি ফিরি কান্তদৃশ্য রূপমুগ্ধ ছবি!
অধরা ক্ষীণাঙ্গী তনু আসে আর যায় শুধু বায়বীয় স্বরে!
আবেগের নোনাজলে উন্মত্ত মাতাল বানে মুছে যায় সবি!
চিরদিন তবু যেন মুগ্ধমূর্ত রও তুমি বিধুর অন্তরে!
মৃন্ময় বিনয় রাঙা রূপাতীত রূপরস এখনো মাতায়!
জীবনের ক্রূরবাঁকে তুমিহীন দৃশ্যান্তরে নিজেকে হারাই!
মহার্ঘ সৌন্দর্য
পেলেনা তো কোন সুখ- কেটে দিলে সুখহীন একটি জীবন!
বুকের নির্যাস সিক্ত তোমার গোছানো ঘর ভেঙে গেলো আজ!
বিনয় মমতা রাঙা মানবিক চেতনার অপূর্ব দর্শন
অঝোর ছড়িয়ে দিলে মরুভুর বাঁকে বাঁকে তেপান্তর মাঝ!
বুকের বিরল বিভা প্রমূর্ত রাঙিয়েছিলো অন্ধকার বাঁক!
বিপুল ঐশ্বর্য মাখা আপনার স্নিগ্ধতায় রাঙালে নিশানা!
কোলাহল কলরবে ভরে গেলো চারপাশ-দিয়ে গেলে ডাক!
মুগ্ধতার কণ্ঠস্বরে ওঠলো দোলে আড়ালের আরাধ্য ঠিকানা!
অপূর্ব সুন্দর রূপে চলছিলো সবকিছু প্রাণাকুল স্বরে!
দূরে দূরে রাঙাভোরে বাজছিলো সুরধ্বনি স্বপ্নের অধিক!
আচমকা থেমে গেলো স্বতোৎসার জ্যোতিধারা ঘূর্ণিস্রোত ঝড়ে!
বিয়োগান্ত বেদনায় দিশাহারা পথহারা বেহাল পথিক!
এখনো রাঙায় বুক অতুল মাধুর্য রাঙা প্রখর প্রাখর্য!
বিধুর বিধ্বস্ত বুকে বিলায় সৌরভ ঘ্রাণ মহার্ঘ সৌন্দর্য!
অবুঝ হৃদয়
ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ে ভাসমান কূলহারা অথই সাগরে!
প্রাণাকুল দিশাহারা কাতর প্রার্থনা করি দু’চোখের জলে!
বলি-যে দু’হাত তোলে ‘আল্লাহ উদ্ধার করো’ নীল তেপান্তরে!
ঘূর্ণিস্রোত ডুবোজলে তোমার সহায় হোক ‘কুদরত ছলে’!
তুমিহীন একা একা দুর্বিষহ জীবনের নীল ক্রান্তিকাল
কুরে কুরে খায় বুক! বেদনার ত্রস্তবুকে দুঃসহ আগুন!
গভীর নিশীথ রাতে জ্বলে ওঠে শিখাহীন বিষম বেহাল!
তবু যেন জাগে বুকে তোমার যে অফুরান অনন্য ফাগুন!
এভাবেই বুঝি তবে শেষ হয়ে যাবে শুধু আমার জীবন!
তোমার বিনয় রাঙা অপূর্ব অভয় বানী এখনো মাতায়!
সবহারা নিঃস্ববুকে প্রাণ পায় আজো যেন মুগ্ধ অনুক্ষণ!
নিবিড় মুগ্ধতা সুখ এখনো যে নিশিদিন আমাকে কাঁদায়!
নিমেষে ফুরিয়ে যায় মুগ্ধাকুল জীবনের ক্ষণিক সময়!
এখনো তোমাকে চায় উন্মাতাল নেশাচুর অবুঝ হৃদয়!
