রাত জাগা চোখ
পাখি ডাকা ভোর
শিউলির ঘোর
সবুজের ঘাস,
শিশিরের জল
পায়ে পায়ে চল
থাকে বারোমাস।
নদী বয়ে যায়
দুকূলের বায়
বাঁশিতে সুর
ফসলের মাঠ
খেয়া বাধা ঘাট
কে যায় সুদূর।
সুমধুর গাঁয়
কে বাঁশি বাজায়
শোনে কত লোক
নিঝুম দুপুর
কোকিলের সুর
রাত জাগা চোখ।
১৮.১১.২০২২
অক্টোবরের সন্ধেবেলা
এই অক্টোবরের সন্ধেবেলা
আমি যখন টি এস সি, দোয়েল চত্বর
ফুলার রোড ঘুরে বেড়ায়
অথবা সবুজ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের-
পথ দিয়ে হেঁটে যাই, তখন আমার দারুণ লাগে।
শিশিরের ভেজা পাতাগুলো কী ভালোবাসায়
বিলিয়ে দেয় সবুজভেজা ঘ্রাণ। আমার দারুণ লাগে।
তুমি হাতটা টান দিয়ে বলবে- এ্যাই, ঘ্রাণটা দারুণ না?
আমি একটু হেসে বলবো, হ্যাঁ, দারুণ।
একেবারে- ঠিক তোমার মতন।
সূর্য উঠবে অনন্ত
আকাশ থেকে উড়ে গেল পাখি
হারিয়ে গেল সাথীহারা শোক
রৌদ্র ভেঙে পড়ছে মেঘের বুকে
নয়ন তুলে দ্যাখে অচিন লোক।
বনজ ছায়ায় ক্লান্ত হয়ে পথিক
ক্লান্ত ছাড়ে গাছের নিচে বসে
দৃষ্টি জোড়া দিগন্ত গেছে বেঁকে
আরো কিছু যেতে হবে হেসে।
পথ ফুরালে মন ফুরালে
শেষ হবে যেই দিগন্ত
সূর্য বেলা অস্ত যাবে
আবার, সূর্য উঠবে অনন্ত।
৮.৯.২০২৩
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি
পাই বড় কষ্ট
ব্যাটারি রিকসায় এ শহর নষ্ট।
তবুও আমি করি খোঁজ
খাই শুধু ভুঁড়ি ভোজ।
এভাবেই চলছে
চারিদিকে কানাকানি
ওরা কিছু বলছে।
কী বলছে কী বলছে
আমায় একটু বল
গুজবভরা চলছে গাড়ি
মনন রসাতল।
চলছে গাড়ি চলছে গাড়ি
জ্যামের মধ্যে বাড়ি
বেশি ভাড়া নিচ্ছে তারা
রা করছে বাড়াবাড়ি।
এমনি করে প্রতিদিন
নিচ্ছে কত আড়ি
আমি বলি চলছে গাড়ি
চলছে যাত্রাবাড়ি।
